আয়িশাহ (রাঃ) নাবী কারীম (সাঃ) কে
নিজ দেহের উপর ভর করিয়ে থেমে রইলেন।
তার এক বর্ননা সুত্রে জানা যায়, তিনি
বলেছেন, 'আমার প্রতি আল্লাহর বিশেষ
অনুগ্রহ হচ্ছে নাবী কারীম (সাঃ) আমার
ঘরে, আমার বিছানায়, আমার গ্রীবা ও
বক্ষের মাঝে মৃত্যুবরন করেন। তার মৃত্যুর সময়
আল্লাহ তা'আলা আমার লালা এবং তার
লালাকে একত্রিত করে দিয়েছেন। ঘটনাটি
ছিল এ রকম যে, আব্দুর রহমান বিন আবূ বাকর
(রাঃ) নাবী কারীম (সাঃ) এর নিকট আগমন
করলেন। তার হাতে মিসওয়াক ছিল।
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমার শরীরে হেলান
অবস্থায় ভর করেছিলেন। আমি দেখলাম যে,
নাবী কারীম (সাঃ) মিসওয়াকের প্রতি
লক্ষ্য করছেন। অতএব, আমি বুঝে নিলাম যে
তিনি মিসওয়াক চাচ্ছেন। আমি বললাম,
'আপনার জন্য মিসওয়াক নিব?'
তিনি মাথা নেড়ে তা নেয়ার জন্য ইঙ্গিত
করলেন। অতঃপর একটি মিসওয়াক নিয়ে
নাবী কারীম (সাঃ) কে দিলাম। তিনি
ইঙ্গিতে বললেন হ্যা। আমি মিসওয়াকখানা
নরম করে দিলে খুব সুন্দরভাবে তিনি
মিসওয়াক করলেন। সম্মুখেই ছিল পানির
পাত্র। পানিতে দু'হাত ডুবিয়ে তিনি
মুখমণ্ডল মুছতে মুছতে বলছিলেন,
আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই, মৃত্য
যন্ত্রনা একটি অত্যান্ত কঠিন ব্যাপার।
(বুখারিঃ২য় খন্ড ৬৪০ পৃষ্ঠা)
মিসওয়াক থেকে ফারেগ হয়ে রাসূলুল্লাহ
(সাঃ) হাত অথবা আঙ্গুল উত্তোলন করলেন
এবং ছাদের দিকে দৃষ্টি তুলে ধরলেন। তার
ঠোট দুটি একটু নড়ে উঠল। আয়িশাহ (রাঃ)
কান পেতে শ্রবন করলেন, তিনি বলছিলেন,
'হে আল্লাহ! নাবীগন, সিদ্দীকগন, শহীদগন
এবং সত ব্যাক্তিগন যাঁদের তুমি পুরুস্কৃত
করেছো আমাকে তাদের দলভুক্ত কর এবং
আমাকে ক্ষমা করে দাও এবং আমার প্রতি
তুমি অনুগ্রহ কর।হে আল্লাহ! আমাকে
রফীক্বে আ'লায় পৌছে দাও। হে আল্লাহ!
রফীক্বে আ'লা।
(সহীহুল বুখারিঃনাবী করীম (সাঃ) এর
অসুস্থতা অধ্যায় এবং শেষ কথোপকথন ২য়
খন্ড ৬৩৮-৬৪১ পৃঃ)
এ ঘটনা সংঘটিত হয় একাদশ হিজরীর ১২
রবিউল আওয়াল সোমবার সুর্য্যের উত্তপ্ত
হওয়ার সময়। সে সময় নাবী কারীম (সাঃ)
এর বয়স হয়েছিল তেষট্টি বছর চার দিন।
আর-রাহীকুল মাখতুম
শায়খুল হাদীস আল্লামা সফিউর রহমান
মোবারকপুরী (রহ.)
পৃষ্ঠাঃ৫৩৪-৫৩৫
নিজ দেহের উপর ভর করিয়ে থেমে রইলেন।
তার এক বর্ননা সুত্রে জানা যায়, তিনি
বলেছেন, 'আমার প্রতি আল্লাহর বিশেষ
অনুগ্রহ হচ্ছে নাবী কারীম (সাঃ) আমার
ঘরে, আমার বিছানায়, আমার গ্রীবা ও
বক্ষের মাঝে মৃত্যুবরন করেন। তার মৃত্যুর সময়
আল্লাহ তা'আলা আমার লালা এবং তার
লালাকে একত্রিত করে দিয়েছেন। ঘটনাটি
ছিল এ রকম যে, আব্দুর রহমান বিন আবূ বাকর
(রাঃ) নাবী কারীম (সাঃ) এর নিকট আগমন
করলেন। তার হাতে মিসওয়াক ছিল।
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমার শরীরে হেলান
অবস্থায় ভর করেছিলেন। আমি দেখলাম যে,
নাবী কারীম (সাঃ) মিসওয়াকের প্রতি
লক্ষ্য করছেন। অতএব, আমি বুঝে নিলাম যে
তিনি মিসওয়াক চাচ্ছেন। আমি বললাম,
'আপনার জন্য মিসওয়াক নিব?'
তিনি মাথা নেড়ে তা নেয়ার জন্য ইঙ্গিত
করলেন। অতঃপর একটি মিসওয়াক নিয়ে
নাবী কারীম (সাঃ) কে দিলাম। তিনি
ইঙ্গিতে বললেন হ্যা। আমি মিসওয়াকখানা
নরম করে দিলে খুব সুন্দরভাবে তিনি
মিসওয়াক করলেন। সম্মুখেই ছিল পানির
পাত্র। পানিতে দু'হাত ডুবিয়ে তিনি
মুখমণ্ডল মুছতে মুছতে বলছিলেন,
আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই, মৃত্য
যন্ত্রনা একটি অত্যান্ত কঠিন ব্যাপার।
(বুখারিঃ২য় খন্ড ৬৪০ পৃষ্ঠা)
মিসওয়াক থেকে ফারেগ হয়ে রাসূলুল্লাহ
(সাঃ) হাত অথবা আঙ্গুল উত্তোলন করলেন
এবং ছাদের দিকে দৃষ্টি তুলে ধরলেন। তার
ঠোট দুটি একটু নড়ে উঠল। আয়িশাহ (রাঃ)
কান পেতে শ্রবন করলেন, তিনি বলছিলেন,
'হে আল্লাহ! নাবীগন, সিদ্দীকগন, শহীদগন
এবং সত ব্যাক্তিগন যাঁদের তুমি পুরুস্কৃত
করেছো আমাকে তাদের দলভুক্ত কর এবং
আমাকে ক্ষমা করে দাও এবং আমার প্রতি
তুমি অনুগ্রহ কর।হে আল্লাহ! আমাকে
রফীক্বে আ'লায় পৌছে দাও। হে আল্লাহ!
রফীক্বে আ'লা।
(সহীহুল বুখারিঃনাবী করীম (সাঃ) এর
অসুস্থতা অধ্যায় এবং শেষ কথোপকথন ২য়
খন্ড ৬৩৮-৬৪১ পৃঃ)
এ ঘটনা সংঘটিত হয় একাদশ হিজরীর ১২
রবিউল আওয়াল সোমবার সুর্য্যের উত্তপ্ত
হওয়ার সময়। সে সময় নাবী কারীম (সাঃ)
এর বয়স হয়েছিল তেষট্টি বছর চার দিন।
আর-রাহীকুল মাখতুম
শায়খুল হাদীস আল্লামা সফিউর রহমান
মোবারকপুরী (রহ.)
পৃষ্ঠাঃ৫৩৪-৫৩৫