[5]- -ইছলাম ধ্বংসকাৰী বিভিন্ন শির্ক ও বিদআতৰ মূলতেই সূফী-দর্শন-
----[সূফীবাদ, মাযহাব]-চৈয়দ চ’গুদ ইছলাম-২৮/১০/২০১৫
----[সূফীবাদ, মাযহাব]-চৈয়দ চ’গুদ ইছলাম-২৮/১০/২০১৫
++++++++++++++++++++
[[আগৰ খণ্ডটোৰ শেষত উল্লেখ কৰি অহা হৈছেযেঃ-
১]-The last Sahaabi to pass away:
--Anas Ibn Maalik (Radhi Allahu anhu) died 94AH [712AD]
২]-Imaam Abu Hanifa (ra) was born on 80AH and died 150AH [699-767AD]
৩]- Doctrinal Sufism আৰম্ভ হয় ন’ শতিকাৰ[( ninth century)( 287 A.H.)] শেষভাগৰ পৰা।
৪]-বাৰশ শতিকাৰ পৰা সোতৰ শতিকাৰ ভিতৰত ভাৰত আৰু বাংলাদেশত সূফীবাদৰ অনুপ্রবেশ ঘটে।]]
+++++++++++++++++++++
[[আগৰ খণ্ডটোৰ শেষত উল্লেখ কৰি অহা হৈছেযেঃ-
১]-The last Sahaabi to pass away:
--Anas Ibn Maalik (Radhi Allahu anhu) died 94AH [712AD]
২]-Imaam Abu Hanifa (ra) was born on 80AH and died 150AH [699-767AD]
৩]- Doctrinal Sufism আৰম্ভ হয় ন’ শতিকাৰ[( ninth century)( 287 A.H.)] শেষভাগৰ পৰা।
৪]-বাৰশ শতিকাৰ পৰা সোতৰ শতিকাৰ ভিতৰত ভাৰত আৰু বাংলাদেশত সূফীবাদৰ অনুপ্রবেশ ঘটে।]]
+++++++++++++++++++++
--বিশিষ্ট হানাফী বিদ্বান শাহ ওলিউল্লাহ দেহেলভীয়ে (ৰহঃ)কৈছিল-“তোমালোকে
জানিথোৱাযে, ৪০০হিজৰিৰ(1009 AD)আগলৈকে কোনোলোকেই কোনো এটা বিশেষ মাযহাবত
নাছিল’ (হুজ্জাতুল্লাহিল বালেগাহ; ১৫২ পৃষ্ঠা)।
--অর্থাৎ ৪০০
হিজৰিৰ(1009 AD)পিছত মুছলমানে মাযহাব সৃষ্টি কৰিছে, তাৰমানে এইটো বুজাইযে
আবুহানীফাৰ(ৰঃ) ইন্তেকালৰ ২৫০বছৰৰ পিছত হানাফী মাযহাবৰ সৃষ্টি হৈছে। ইমাম
মালেকৰ ইন্তেকালেৰ ২২১ বছৰ পিছত মালেকী মাযহাবৰ সৃষ্টি হৈছে। ইমাম শাফীৰ
ইন্তেকালৰ ১৯৬ বছৰৰ পিছত শাফী মাযহাবৰ আৰু ইমাম আহমাদৰ ইন্তেকালৰ ১৫৯বছৰৰ
পিছত হাম্বলী মাযহাবৰ সৃষ্টি হৈছে। অর্থাৎ ইমামসকলৰ(ৰাঃ) জীবিত অবস্থাত
মাযহাবৰ সৃষ্টি হোৱা নাছিল।তেওঁললোকৰ মৃত্যুৰ বহু বছৰৰ পিছত মাযহাবৰ উদ্ভব
হয়।
--এবাৰ পৰীক্ষি কৰি নিজৰ বিবেকেৰে এবাৰ চিন্তা কৰি চালে
দেখিবলৈ পাবযে মাযহাব বা দল সৃষ্টি কৰাত কোৰআন ও হাদিচে কঠোৰ ভাবে
নিষিদ্ধ কৰিছে। মহামান্য ইমামসকল(ৰাঃ) আছিল কোৰআন আৰু হাদিচৰ পুঙ্খানুপুঙ্খ
অনুসাৰী আৰু ধর্মপ্রাণ মুছলমান।
--যিসকলে কয়যে ইমামসকলে(ৰাঃ) মাযহাব সৃষ্টি কৰিছিল, সেইসকল মিছলীয়া।
--কোৰআন আৰু হাদিচত মাযহাব সৃষ্টি কৰাত কঠোৰভাবে নিষিদ্ধ কৰা হৈছে।
--প্রমাণঃ-
--“আর তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে ধারণ কর এবং বিভক্ত হয়ো না......"[3:103]।
--“ এবং তাদের মতো হয়োনা যাদের নিকট স্পষ্ট প্রমাণ আসার পরও বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়েছে ও পরস্পর মতভেদে লিপ্ত রয়েছে; তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি”[3:105]।
--“--------- তোমরা যদি তাঁর আনুগত্য কর, তবে সৎ পথ পাবে। রসূলের দায়িত্ব তো কেবল সুস্পষ্টরূপে পৌছে দেয়া”[24:54]।
--“--------আর যারা আল্লাহ যা নাযিল করেছেন, তার মাধ্যমে ফয়সালা করে না, তারাই কাফির[5:44]।
-- “-------যেসব লোক আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফয়সালা করে না তারাই জালেম[5:45]।
--“---আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তার মাধ্যমে যারা ফয়সালা করে না, তারাই ফাসিক[5:47]।
--“------তোমার প্রতি নাযিল করা হয়েছে তুমি তা অনুসরণ কর এবং আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্যদেরকে অভিভাবক অথবা সাহায্যকারী(অলি আউলিয়াগণ) হিসাবে গ্রহণ করনা---[7:3]।
--“অতএব (হে নবী) তোমার রবের শপথ! তারা কখনই বিশ্বাস স্থাপনকারী হতে পারবেনা, যে পর্যন্ত তোমাকে তাদের সৃষ্ট বিরোধের বিচারক না করে, অতঃপর তুমি যে বিচার করবে তা দ্বিধাহীন অন্তরে গ্রহণ না করে এবং ওটা সন্তষ্ট চিত্তে কবূল না করে[4:65]।
--আৰু আছে--- যিটো কোৰআনৰ আয়াতৰ কিয়দাংশৰে দলীল বনাই ভুল পথেৰে মযযহাব তৈয়াৰৰ নাটক কৰে মযযহাবীসকলে।।
--“আর তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে ধারণ কর এবং বিভক্ত হয়ো না......"[3:103]।
--“ এবং তাদের মতো হয়োনা যাদের নিকট স্পষ্ট প্রমাণ আসার পরও বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়েছে ও পরস্পর মতভেদে লিপ্ত রয়েছে; তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি”[3:105]।
--“--------- তোমরা যদি তাঁর আনুগত্য কর, তবে সৎ পথ পাবে। রসূলের দায়িত্ব তো কেবল সুস্পষ্টরূপে পৌছে দেয়া”[24:54]।
--“--------আর যারা আল্লাহ যা নাযিল করেছেন, তার মাধ্যমে ফয়সালা করে না, তারাই কাফির[5:44]।
-- “-------যেসব লোক আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফয়সালা করে না তারাই জালেম[5:45]।
--“---আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তার মাধ্যমে যারা ফয়সালা করে না, তারাই ফাসিক[5:47]।
--“------তোমার প্রতি নাযিল করা হয়েছে তুমি তা অনুসরণ কর এবং আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্যদেরকে অভিভাবক অথবা সাহায্যকারী(অলি আউলিয়াগণ) হিসাবে গ্রহণ করনা---[7:3]।
--“অতএব (হে নবী) তোমার রবের শপথ! তারা কখনই বিশ্বাস স্থাপনকারী হতে পারবেনা, যে পর্যন্ত তোমাকে তাদের সৃষ্ট বিরোধের বিচারক না করে, অতঃপর তুমি যে বিচার করবে তা দ্বিধাহীন অন্তরে গ্রহণ না করে এবং ওটা সন্তষ্ট চিত্তে কবূল না করে[4:65]।
--আৰু আছে--- যিটো কোৰআনৰ আয়াতৰ কিয়দাংশৰে দলীল বনাই ভুল পথেৰে মযযহাব তৈয়াৰৰ নাটক কৰে মযযহাবীসকলে।।
-ক্রমশঃ- ইন সা আল্লাহ।।






